বনানীতে আমাদের নতুন ক্লিনিক — ৯ম তলা, বাড়ি ১১৬, রোড ১১, ব্লক ই কল করুন +880 1716-452207

ত্বকের সমস্যা

ব্রণের চিকিৎসা, বনানী

তেল আর মরা চামড়ায় লোমকূপ বন্ধ হয়ে ফুলে উঠলে ব্রণ হয়। শুরুতেই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখালে ব্রণ সারে, আর আমাদের ত্বকে সহজে পড়া গর্ত ও কালো দাগও এড়ানো যায়।

চিকিৎসা-তথ্য যাচাই করেছেন প্রফেসর ডা. ওয়াহিদা খান চৌধুরী, MBBS, DDV, FCPS · [যাচাইয়ের তারিখ]
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন কল করুন +880 1716-452207

এক নজরে

কাদের হয়
কিশোর-কিশোরী ও বড়রা — মেয়েদের বড় বয়সেও ব্রণ বেশ সাধারণ
কোথায় হয়
মুখ, বুক, কাঁধ ও পিঠ
ধরন
ব্ল্যাকহেড, হোয়াইটহেড, ফুসকুড়ি, শক্ত গোটা, সিস্ট
উন্নতি হতে সময়
ঠিক চিকিৎসায় সাধারণত ৬–১২ সপ্তাহ

ব্রণ কী?

ব্রণ ত্বকের সবচেয়ে সাধারণ সমস্যাগুলোর একটি — কয়েকটা ব্ল্যাকহেড থেকে শুরু করে ব্যথাযুক্ত গভীর গোটা পর্যন্ত। অপরিষ্কার থাকার কারণে হয় না, আর এমনি এমনি সারার জন্য বসে থাকারও দরকার নেই।

ব্রণ কেন হয়?

চারটি জিনিস একসাথে কাজ করে: বাড়তি তেল, বন্ধ লোমকূপ, ব্রণের জীবাণু আর প্রদাহ। যা ব্রণ বাড়ায়:

  • হরমোন: বয়ঃসন্ধি, মাসিক চক্র আর পিসিওএস (PCOS)।
  • ভারী বা তৈলাক্ত মেকআপ ও চুলের প্রোডাক্ট।
  • কিছু ওষুধ, যেমন স্টেরয়েড ক্রিম।
  • ব্রণ খোঁটা বা চাপা, হেলমেট বা মাস্কের ঘষা, আর মানসিক চাপ।

ব্রণে কেন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন?

হালকা ব্রণে দোকানের প্রোডাক্টে কাজ হয়। কিন্তু ব্যথা হলে, দাগ পড়লে বা বারবার ফিরে এলে বিশেষজ্ঞ ব্রণের মাত্রা বুঝে কারণ ধরে চিকিৎসা করেন। আমাদের ত্বকে ছোট ব্রণও মাসের পর মাস কালো দাগ রেখে যায়, তাই শুরুতেই চিকিৎসা পরে সময় বাঁচায়।

স্কিনোলজিতে ব্রণের চিকিৎসা

আপনার ব্রণের ধরন আর মাত্রা বুঝে পরিকল্পনা:

  • ব্রণপ্রবণ ত্বকের জন্য সহজ স্কিনকেয়ার রুটিন।
  • লোমকূপ খোলে আর ফোলা কমায় এমন ক্রিম ও জেল।
  • মাঝারি বা বেশি ব্রণে ট্যাবলেট — কিছু ক্ষেত্রে মেয়েদের হরমোনের চিকিৎসাসহ, ডা. ওয়াহিদার তত্ত্বাবধানে।
  • ক্লিনিকে চিকিৎসা: কেমিক্যাল পিল, কার্বন ফেসিয়াল ও মেডিকেল ক্লিনআপ।
  • ব্রণ নিয়ন্ত্রণে এলে দাগের চিকিৎসা, যেমন পিআরপি ও মাইক্রোনিডলিং।

কেমন ফল আশা করবেন

বেশিরভাগ চিকিৎসায় স্পষ্ট উন্নতি দেখতে ৬–১২ সপ্তাহ লাগে, প্রথম কয়েক সপ্তাহে একটু বাড়তেও পারে। কোনো একটি প্রোডাক্টের চেয়ে নিয়ম মেনে চলাটাই বেশি জরুরি।

যা করবেন না

ব্রণ চাপবেন না বা খুঁটবেন না, স্টেরয়েড ক্রিম লাগাবেন না, জোরে ঘষবেন না, টুথপেস্ট দেবেন না — এতে ফোলা, গর্ত আর কালো দাগ বাড়ে।

যে চিকিৎসাগুলো কাজে আসে

কেমিক্যাল পিল

লোমকূপ খোলে, দাগ হালকা করে।

কেমিক্যাল পিল →

কার্বন ফেসিয়াল

লোমকূপ গভীরভাবে পরিষ্কার করে, তেল কমায়।

কার্বন ফেসিয়াল →

পিআরপি + মাইক্রোনিডলিং

ব্রণ থামার পর গর্ত ও দাগ কমায়।

পিআরপি + মাইক্রোনিডলিং →

প্রশ্নোত্তর

ব্রণ নিয়ে প্রশ্ন

ডা. ওয়াহিদাকে জিজ্ঞেস করুন
ব্রণ কি নিজে নিজে সেরে যায়?+

হালকা ব্রণ কখনো সময়ের সাথে কমে, কিন্তু মাঝারি বা বেশি ব্রণ বছরের পর বছর থাকতে পারে, দাগও ফেলে। তাই শুরুতেই চিকিৎসা ত্বকের জন্য সবচেয়ে ভালো।

খাবারে কি ব্রণ হয়?+

খাবার মূল কারণ নয়, তবে কারো কারো ক্ষেত্রে বেশি চিনি আর দুধজাতীয় খাবার ব্রণ বাড়ায়। আপনার বেলায় খাবারের ভূমিকা আছে কিনা, ডা. ওয়াহিদা দেখে বলবেন।

ব্রণের দাগ কি সারে?+

হ্যাঁ। ব্রণ নিয়ন্ত্রণে এলে পিআরপি ও মাইক্রোনিডলিং বা কেমিক্যাল পিলে গর্ত ও দাগ অনেকটা কমে।

মেকআপ কি বন্ধ করতে হবে?+

না। তেলমুক্ত, নন-কমেডোজেনিক প্রোডাক্ট বেছে নিন আর প্রতি রাতে আলতো করে মেকআপ তুলে ফেলুন।

পরিষ্কার ত্বকের শুরু ঠিক পরিকল্পনায়।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন — ডা. ওয়াহিদা ব্রণের মাত্রা বুঝে আপনার ত্বকের উপযোগী চিকিৎসা ঠিক করবেন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন কল করুন +880 1716-452207