বনানীতে আমাদের নতুন ক্লিনিক — ৯ম তলা, বাড়ি ১১৬, রোড ১১, ব্লক ই কল করুন +880 1716-452207

ত্বকের সমস্যা

মেছতার চিকিৎসা, বনানী

মেছতা হলো মুখে বাদামি বা ধূসর-বাদামি ছোপ — বিশেষ করে শ্যামলা ত্বকের মেয়েদের বেশি হয়। একেবারে চিরতরে বন্ধ করা যায় না, তবে ঠিক চিকিৎসা আর প্রতিদিন রোদ থেকে সুরক্ষায় বেশিরভাগেরই দাগ স্পষ্টভাবে হালকা হয়।

চিকিৎসা-তথ্য যাচাই করেছেন প্রফেসর ডা. ওয়াহিদা খান চৌধুরী, MBBS, DDV, FCPS · [যাচাইয়ের তারিখ]
অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন কল করুন +880 1716-452207

এক নজরে

কাদের হয়
বেশি হয় ২০–৫০ বছরের মেয়েদের; আমাদের অঞ্চলের ত্বকে খুবই সাধারণ
কোথায় হয়
গাল, কপাল, নাক, ঠোঁটের ওপর, থুতনি
মূল কারণ
রোদ, গরম ও আলো, হরমোন, বংশগত
উন্নতি হতে সময়
নিয়মিত চিকিৎসায় সাধারণত ৮–১২ সপ্তাহ

মেছতা কী?

ত্বকের রং তৈরির কোষ বেশি মেলানিন বানালে মুখের দুই পাশে সমান ছোপ পড়ে — এটাই মেছতা। ক্ষতিকর বা ছোঁয়াচে নয়, তবে সহজে যেতে চায় না, আর আত্মবিশ্বাসে প্রভাব ফেলে।

গর্ভাবস্থায় প্রায়ই শুরু হয় বলে একে অনেকে "গর্ভাবস্থার দাগ" বলেন। কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াও হতে পারে — গরমে গাঢ় হয়, শীতে একটু হালকা।

মেছতা কেন হয়?

সাধারণত একটি কারণে নয়। যা সবচেয়ে বেশি দায়ী:

  • রোদ: অতিবেগুনি রশ্মি, আলো আর গরম — সবই রং বাড়ায়।
  • হরমোন: গর্ভাবস্থা, জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ও হরমোনের চিকিৎসা।
  • বংশগত: পরিবারে অনেকেরই থাকে।
  • ত্বকে জ্বালা ধরায় এমন প্রোডাক্ট, বিশেষ করে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ব্লিচিং বা "ফর্সা হওয়ার" ক্রিম।

মেছতা কীভাবে নির্ণয় হয়?

ডা. ওয়াহিদা ডার্মাটোস্কোপ বা উডস ল্যাম্প দিয়ে দেখেন রং ত্বকের কতটা গভীরে। এটা জরুরি, কারণ ব্রণের পরের দাগ, ফ্রেকল বা অন্য দাগ দেখতে একই রকম লাগে — কিন্তু চিকিৎসা আলাদা।

স্কিনোলজিতে মেছতার চিকিৎসা

ধাপে ধাপে চিকিৎসা, ত্বকের সাড়া বুঝে বদলানো হয়:

  • প্রতিদিন ভালো সানস্ক্রিন, বারবার লাগানো — সব চিকিৎসার ভিত্তি এটাই।
  • আপনার ত্বক বুঝে রং কমানোর ক্রিম।
  • হালকা মাত্রার কেমিক্যাল পিল, কয়েকটি সেশনে।
  • জেদি ছোপে মেছতার মাইক্রোনিডলিং।
  • কিছু ক্ষেত্রে ট্যাবলেট — শুধু ডা. ওয়াহিদা উপযুক্ত মনে করলে।

কেমন ফল আশা করবেন

বেশিরভাগ রোগী ৮–১২ সপ্তাহে দাগ হালকা হতে দেখেন। কড়া রোদ বা হরমোনের পরিবর্তনে মেছতা ফিরতে পারে, তাই একটা সহজ রুটিন চালিয়ে যেতে হয়। লেজার খুব সাবধানে দেওয়া হয়, কখনো একেবারেই না — কারণ শ্যামলা ত্বকে ভুল লেজার মেছতা বাড়িয়ে দিতে পারে।

যা করবেন না

স্টেরয়েডযুক্ত বা প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফর্সা হওয়ার ক্রিম এড়িয়ে চলুন — কিছুদিন হালকা দেখালেও পরে ত্বক পাতলা, লালচে আর আরও কালো হতে পারে। জোরে ঘষা, কড়া ঘরোয়া টোটকা আর সুরক্ষা ছাড়া লম্বা সময় রোদে থাকাও এড়িয়ে চলুন।

যে চিকিৎসাগুলো কাজে আসে

কেমিক্যাল পিল

হালকা পিল, কয়েকবার — ওপরের দাগ তোলে।

কেমিক্যাল পিল →

মেছতার জন্য মাইক্রোনিডলিং

জেদি ছোপের জন্য বিশেষ পদ্ধতি।

মাইক্রোনিডলিং →

ফটোফেসিয়াল

লাইট থেরাপি — শুধু আপনার ত্বকের জন্য উপযুক্ত হলে।

ফটোফেসিয়াল →

প্রশ্নোত্তর

মেছতা নিয়ে প্রশ্ন

ডা. ওয়াহিদাকে জিজ্ঞেস করুন
মেছতা কি চিরতরে সারে?+

মেছতা দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, তাই লক্ষ্য একবারে সারানো নয়, নিয়ন্ত্রণে রাখা। চিকিৎসা আর প্রতিদিন রোদ থেকে সুরক্ষায় দাগ অনেক হালকা হয় এবং হালকাই থাকে।

মেছতায় কি লেজার ভালো?+

কখনো, তবে সাবধানে। শ্যামলা ত্বকে ভুল লেজার বা মাত্রা মেছতা আরও গাঢ় করতে পারে। ডা. ওয়াহিদা আগে ক্রিম, পিল ও মাইক্রোনিডলিং দেন, লাইট থেরাপি শুধু উপযুক্ত হলে।

গর্ভাবস্থায় কি মেছতার চিকিৎসা করা যায়?+

গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় অনেক চিকিৎসা দেওয়া হয় না। তবে রোদ থেকে সুরক্ষা নিরাপদ ও জরুরি। গর্ভবতী হলে বা পরিকল্পনা থাকলে জানান — নিরাপদ উপায় বলে দেব।

ফল পেতে কত দিন লাগে?+

নিয়মিত চিকিৎসায় বেশিরভাগই ৮–১২ সপ্তাহে উন্নতি দেখেন। গভীর দাগে আরও সময় লাগে।

মেছতার চিকিৎসা শুরু হোক সঠিক পথে।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন — ডা. ওয়াহিদা আপনার ত্বক বুঝে চিকিৎসা ঠিক করবেন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিন কল করুন +880 1716-452207